KingOBD-তে পেমেন্ট করা যতটা সহজ হওয়া উচিত ঠিক ততটাই সহজ। bKash দিয়ে ৩০ সেকেন্ডে ডিপোজিট, Nagad দিয়ে তাৎক্ষণিক উত্তোলন – সব কিছু শূন্য চার্জে। বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ থেকে যেকোনো পদ্ধতিতে পেমেন্ট করুন।
বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় পেমেন্ট গেটওয়ে একটি প্ল্যাটফর্মে
এক নজরে দেখুন কোন পদ্ধতি আপনার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত
| পেমেন্ট পদ্ধতি | ডিপোজিট | উত্তোলন | প্রক্রিয়া সময় | চার্জ | ২৪/৭ | মোবাইল |
|---|---|---|---|---|---|---|
| bKash | তাৎক্ষণিক | ৳০ | ||||
| Nagad | তাৎক্ষণিক | ৳০ | ||||
| Rocket | ১–৫ মিনিট | ৳০ | ||||
| Upay | ২–৫ মিনিট | ৳০ | ||||
| ব্যাংক ট্রান্সফার | ১৫–৩০ মিনিট | ৳০ | ||||
| ডেবিট/ক্রেডিট | ৫–১০ মিনিট | ৳০ | ||||
| ক্রিপ্টো | ১০–২০ মিনিট | ৳০ |
পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী বিস্তারিত নির্দেশনা
আপনার ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন।
মেনু থেকে ক্যাশিয়ার খুলুন, ডিপোজিট ট্যাবে যান এবং bKash আইকনে ক্লিক করুন।
ডিপোজিটের পরিমাণ লিখুন (ন্যূনতম ৳১০০)। প্রদর্শিত bKash নম্বরটি মনে রাখুন।
বাংলাদেশে ব্র্যাক ব্যাংক bKash-এ *247# ডায়াল করুন বা অ্যাপ থেকে প্রদর্শিত নম্বরে পাঠান।
bKash-এর কনফার্মেশন SMS থেকে TrxID নিয়ে KingOBD-তে সাবমিট করুন।
দ্রষ্টব্য: bKash-এ ডিপোজিট সাধারণত ৩০ সেকেন্ড থেকে ২ মিনিটের মধ্যে ক্রেডিট হয়।
আপনার অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করুন।
ডিপোজিট ট্যাবে Nagad আইকন সিলেক্ট করুন।
পরিমাণ দিন এবং প্রদর্শিত Nagad নম্বরে পাঠাতে হবে।
*167# ডায়াল অথবা Nagad অ্যাপ দিয়ে নির্ধারিত নম্বরে টাকা পাঠান।
Nagad-এর কনফার্মেশন বার্তা থেকে রেফারেন্স নম্বর সাবমিট করুন।
দ্রষ্টব্য: Nagad ডিপোজিট তাৎক্ষণিক – সাধারণত ১ মিনিটেরও কম সময়ে ক্রেডিট হয়।
লগইন করার পর ক্যাশিয়ার সেকশনে যান।
ডিপোজিট অপশনে Rocket সিলেক্ট করুন।
Rocket DBBL অ্যাকাউন্ট থেকে নির্ধারিত নম্বরে টাকা পাঠান।
SMS-এ আসা ট্রানজেকশন ID জমা দিন।
দ্রষ্টব্য: Rocket ডিপোজিট ১–৫ মিনিটের মধ্যে ক্রেডিট হয়।
ক্যাশিয়ারে ব্যাংক ট্রান্সফার সিলেক্ট করুন এবং ব্যাংক নাম নির্বাচন করুন।
প্রদর্শিত অ্যাকাউন্ট নম্বর, ব্যাংক নাম ও শাখা নোট করুন।
আপনার ব্যাংক থেকে নির্ধারিত অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করুন।
ট্রানজেকশন রেফারেন্স ও স্ক্রিনশট সাবমিট করুন।
দ্রষ্টব্য: ব্যাংক ট্রান্সফার ১৫–৩০ মিনিটে প্রক্রিয়া হয়। বড় অঙ্কের জন্য এই পদ্ধতি সুবিধাজনক।
Visa বা Mastercard অপশন সিলেক্ট করুন।
কার্ড নম্বর, মেয়াদ ও CVV সুরক্ষিত ফর্মে দিন।
ব্যাংক থেকে আসা OTP দিয়ে পেমেন্ট নিশ্চিত করুন।
পেমেন্ট সফল হলে ৫–১০ মিনিটের মধ্যে ব্যালেন্স আসবে।
দ্রষ্টব্য: কার্ড তথ্য সম্পূর্ণ SSL এনক্রিপ্টেড পরিবেশে নেওয়া হয় – কোনো তথ্য সংরক্ষিত হয় না।
লগইন করে ক্যাশিয়ারে যান এবং "উত্তোলন" ট্যাব খুলুন।
bKash, Nagad বা পছন্দের পদ্ধতি বেছে নিন। উত্তোলনের পরিমাণ দিন (ন্যূনতম ৳৫০০)।
আপনার bKash বা Nagad নম্বর দিন। প্রথমবার ভেরিফিকেশন লাগতে পারে।
নিবন্ধিত মোবাইলে আসা OTP দিয়ে অনুরোধ নিশ্চিত করুন।
সাধারণত ৫–১৫ মিনিটের মধ্যে আপনার মোবাইলে SMS ও টাকা পাবেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত: উত্তোলনের আগে সর্বদা আপনার মোবাইল নম্বর সঠিক কিনা যাচাই করুন। KingOBD শুধুমাত্র নিবন্ধিত নম্বরে টাকা পাঠায়।
KingOBD-তে প্রতিটি টাকার লেনদেন সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় সম্পন্ন হয়
বাংলাদেশে অনলাইন পেমেন্ট নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন থাকে – টাকা কি নিরাপদ? দেরি হবে না তো? কোনো চার্জ কাটা যাবে কি? kingobd এই সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরে গর্বিত, কারণ আমাদের পেমেন্ট সিস্টেম এই তিনটি বিষয়ে কখনো আপোষ করে না।
kingobd-এর পেমেন্ট অবকাঠামো সরাসরি বাংলাদেশি মোবাইল ব্যাংকিং গেটওয়েগুলোর সাথে সংযুক্ত। এর মানে হলো আপনার bKash থেকে টাকা পাঠালে সেটা সরাসরি আমাদের পেমেন্ট গেটওয়েতে পৌঁছায়, কোনো মধ্যবর্তী ধাপ নেই। এ কারণেই ডিপোজিট এত দ্রুত হয়।
জানা ভালো: kingobd-তে পেমেন্ট করার সময় সর্বদা আপনার নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে করুন। অন্যের নম্বর ব্যবহার করলে যাচাইকরণে বেশি সময় লাগতে পারে এবং নিরাপত্তার কারণে হোল্ড হতে পারে।
এই প্রশ্নটা অনেকেই করেন। সত্যি কথা হলো, kingobd-এ দুটো পদ্ধতিই সমান দ্রুত ও সমান নিরাপদ। তবে কিছু পার্থক্য আছে যা আপনার সিদ্ধান্তে সাহায্য করবে।
bKash বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হওয়ায় এর নেটওয়ার্ক সবচেয়ে বড়। সারাদেশে এর এজেন্ট আছে, তাই যেকোনো সমস্যায় দ্রুত সমাধান মেলে। Nagad-এর ক্ষেত্রে সুবিধা হলো এটা বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অধীনে, তাই সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় এর বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি।
kingobd-এ উভয় পদ্ধতিতেই শূন্য চার্জে তাৎক্ষণিক ডিপোজিট হয়। তাই যে পদ্ধতি আপনার কাছে বেশি সুবিধাজনক মনে হয়, সেটাই ব্যবহার করুন।
কোনো লেনদেনে সমস্যা হলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। kingobd-এর ২৪/৭ পেমেন্ট সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাটে যোগাযোগ করুন এবং নিচের তথ্য সাথে রাখুন – ট্রানজেকশন আইডি বা রেফারেন্স নম্বর, পেমেন্টের সময় ও তারিখ, এবং পেমেন্ট পদ্ধতির স্ক্রিনশট। সাধারণত ১০–১৫ মিনিটের মধ্যে সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।
সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা হলো ডিপোজিটের পর ব্যালেন্স না আসা। এক্ষেত্রে প্রথমে ৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নেটওয়ার্ক বিলম্বের কারণে সামান্য দেরি হয় এবং অটোমেটিকভাবে ঠিক হয়ে যায়।
প্রথম ডিপোজিটে ১০০% বোনাস পান – মাত্র ৳৫০০ থেকে শুরু
অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা যেভাবে পেমেন্ট করেন
বেশিরভাগ সদস্যদের পেমেন্ট প্রশ্নের উত্তর এখানেই আছে
বাংলাদেশের দ্রুততম ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পেমেন্ট সিস্টেমে আজই যোগ দিন।